২ মিনিট সময় নিয়ে একটু ক’ষ্ট হলেও সবাই পুরোটা পড়বেন, গরিব পরিবারের একটি ছেলের সাথে একই গ্রামের একটি

একই গ্রামের দুই গরিব পরিবারের ছেলে-মেয়ে বি’বাহবন্ধনে আ’বদ্ধ হয়। ছেলের বয়স প্রায় ২১ বছর। আর মেয়ে ১৮ বছর বয়সী। ‘বি’য়ে”র পর ছেলেটা মে’য়েটি’কে বললো, তোমার কি কোনো ইচ্ছে আছে? মেয়েটা বলল, আমার

ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার বড় আশা ছিল! এরপর মেয়েটাকে নিয়ে ছেলেটা ঢাকায় চলে আসে। মেয়েটির ইচ্ছে পূরণ করতে ছেলেটি তাকে ভা’র্সি’টিতে ভর্তি করলো। ছেলেটা ভোর চারটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত পরিশ্রম করে। ছেলেটি

মেয়েটার লেখাপড়ার খরচ আর সংসার খরচ চালান। বিয়ের অনেকদিন পরও তাদের মধ্যে স্বা’মী-স্ত্রী’র কোনো স’ম্প’র্ক হয় না! মেয়েটার বন্ধু বান্ধব প্রশ্ন করে ছে’লেটা কে? মেয়েটা উত্তর দেয়, সে আমার ভাই! ছেলেটা ক’খনো রিক্সা চালায়, কখনো দিন ম’জুরি করে, কখনো ইট ভাটায় কাজ করে কখনো আবার কু’লির কাজও করে। নিজের কথা না ভেবে মেয়েটির ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার খরচ জোগাতে এভাবে রোজগার করে চলেছে ছেলেটি।

হঠাৎ পরীক্ষা চলে আসলো! দুজনের চোখেই ঘুম নাই। ছেলেটা রাত দিন মিলিয়ে ২০ ঘণ্টা কাজ করে। এবং বাকি চার ঘণ্টায় রান্না থেকে শুরু করে সংসারের সব কাজ করে। এরই মধ্যে মেয়েটার পরীক্ষা শেষ হয়ে গেল। এরপর ছেলেটা আগের চেয়ে কাজ একটু কমিয়ে দিল। পরীক্ষায় মেয়েটি পাশ করলো। ইঞ্জিনিয়ার বনে গেল। ভাল চাকরি পেল, অনেক টাকা পয়সার মালিক হলো। গাড়ি-বাড়িসহ সবই হলো মেয়েটির। বিভিন্ন জায়গা থেকে

মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাবও দেয়া হচ্ছিল। কেউই জানে না মেয়েটি বিবাহিত কি-না! মেয়েটা বাড়ি নিয়ন আলোয় সাজিয়ে বড় পার্টি দিল। কিন্তু কেউ জানে না এ পার্টি আয়োজনের উপ’লক্ষ্য কি! সবাই মেয়েটিকে প্রশ্ন করলো এ পার্টির উপলক্ষ্য কি? মেয়েটি বলল ১২ টায় সবার সামনে ব’ল’বো কিসের পার্টি!

ছেলেটা সেই লু’ঙ্গি গা’মছা আর ছেঁ’ড়া একটা জামা গায়ে বাড়ির এক কোনায় দাঁড়িয়ে আছে! ১২ টা বেজে গেলো, এরপর মেয়েটা ছেলেটার হাত ধরে যেখানে কে’ক রাখা আছে সেখানে নিয়ে এল! এবার পার্টিতে আগত সব নারী-পু’রুষকে উদ্দেশ করে মেয়েটি বললেন, একে কেউ চিনেন? এটা আমার স্বা’মী। তিনি মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নিজে খেয়ে না খেয়ে আমাকে লেখাপড়া করিয়েছেন।

তার জীবনের সব সুখ আমার জন্য বি’স’র্জন দিয়েছেন। বিয়ের পর থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের মধ্যে কো’নো শা’রী’রিক স’ম্প’র্ক’ হয়নি! তাকে এই কাপড়ে রাখার কারণ যাতে প্র’কৃত বিষয়টি আপনাদের উপ’লব্ধি করাতে পারি সে জন্য।

এই বা’ড়ি, গাড়ি ও টাকা তার গায়ের এক ফো’টা ঘামের দামও না! আমি তার স্ত্রী, আমার যা কিছু আছে তার ১০০ গুন দিলেও আমি আমার স্বামীকে ছেড়ে কোথাও যাবো না।এটা সমাজ থেকে তুলে আনা বা’স্ত’বভিত্তিক গল্প। স্বামী-স্ত্রীর ভালবাসা উৎকৃষ্ট একটি উদাহরণ। -এএসএমওয়াই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *