তরু’ণীর রুপে পাগল হয়ে সৌদি প্রবাসীর সব শে’ষ!

২০১৮ সালের প্রথম দিকে মরিয়ম আক্তার মন্টি (২৩) নামে এক সুন্দরী তরু’ণীর সঙ্গে পরিচয় হয় প্রবাসী যুবক মো. রাসেলের(২৮)। কিছু দিনের মধ্যে প্রেমের স’ম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের ছয় মাসের মা’থায় রাসেলের সৌদি আরবে চাকরির ভিসা চলে আসে।

বিদেশ যাওয়ার আগে মন্টি বিয়ে করার বায়না ধ’রেন। উপায় না দেখে রাসেল নরসিংদীর কো’র্টে গিয়ে মন্টিকে বিয়ে করেন। প্রেমের ফাঁ’দে ফেলে ওই যুবককে বিয়ের পর টাকা, স্বর্ণালঙ্কার হা’তিয়ে নিয়েও ক্ষা’ন্ত হননি মন্টি।

তার পরকীয়ার ঘ’টনা ফাঁ’স হওয়া মাত্রই রাসেল ও তার বাবা-মাসহ পরিবারের ছয়জনের নামে অ’পহর’ণ ও ধ’র্ষণের মা’মলা দেন। শে’ষে রাসেলকে অ’পহর’ণের পর অ’মানুষিক নি’র্যাতন করা হয়। ম্যাচ লাইটার দিয়ে পু’ড়িয়ে দেয়া হয় রাসেলের পুরুষা’ঙ্গ।

অবশে’ষে র‌্যাব-১১ এর হাতে আ’টক হয় মন্টি, তার প্রেমিকসহ চারজন। র‌্যাবের জি’জ্ঞাসাবা’দে সব অ’পরাধ স্বীকার করেন ওই
তরু’ণীসহ আ’টক অন্যরা।

নরসিংদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অ’ভিযুক্ত মরিয়ম আক্তার মন্টি (২৩), তার বড় ভাই মো. পাপ্পু মিয়া (২৮), প্রেমিক মো. অভিত মিয়া (২৮) ও বাবা মো. বাদল মিয়াকে (৫৮)

আ’টক করা হয়। পরে তাদের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীতে র‌্যাব-১১ এর সদর দফতরে আনা হয়। ভু’ক্তভো’গী মো. রাসেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজে’লার আব্দুল হকের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, রাসেলের অ’ভিযোগ- তাকে গত দুই মাস আগে ডিবি পু’লিশ পরিচয়ে অ’জ্ঞাত কয়েকজন নরসিংদী আ’দালতের সামনে থেকে মাইক্রোবাসে করে তু’লে নিয়ে যায়।

অ’চেতন করে এক বাসায় নিয়ে হাত-পা ও চোখ বেঁ’ধে মা’রধ’রসহ শা’রীরিক নি’র্যাতন করে। ম্যাচ লাইটার দিয়ে পুরুষা’ঙ্গ পু’ড়িয়ে দেয়। পরে অ’পহরণকা’রীরা সেই নি’র্যাতনের ভিডিও চিত্র মোবাইলে ধারণ করে রাসেলের পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মু’ক্তিপ’ণ দা’বি করে।
রাসেলের পরিবার সেই রাতেই বিকাশের মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকা পাঠায় এবং

অ’বশিষ্ট টাকা নগদে পরিশো’ধ করবে বলে জানায়। পরের রাতে টাকা নেওয়ার জন্য অ’পহরণকারীরা রাসেলকে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে নরসিংদীর শাপলা চত্বরে আসার পর রাসেল প্র’স্রাব করার জন্য মাইক্রোবাস থেকে নামে।

একটি পিকআপ ভ্যান সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় রাসেল ডা’কাত ডা’কাত বলে চিৎ’কার শুরু করে। তার চিৎ’কারে লোকজন আসতে থাকলে তাকে রেখে অ’পহ’রণকারীরা পা’লিয়ে যায়। পরে রাসেল পরিবারের লোকজনের মাধ্যমে হাসপাতালে চিকিৎ’সা নিয়ে র‌্যাব অফিসে অ’ভিযোগ জানান।

র‌্যাব-১১ এর অ’তিরিক্ত পু’লিশ সুপার আলেপ উদ্দিন বলেন, অ’ভিযোগের স’ত্যতা পেয়ে অ’ভিযানে নামে র‌্যাব। আ’টক সবাই নরসিংদী সদর থা’নার স্থায়ী বাসি’ন্দা। জি’জ্ঞাসাবাদে তারা ঘ’টনার স’ত্যতা স্বী’কার করেন। তাদের বি’রুদ্ধে নরসিংদী সদর থা’নায় আ’ইনানুগ

কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।রাসেল জানান, ২০১৮ সালের প্রথম দিকে মন্টি নামে এক সুন্দরী মেয়ের সাথে পরিচয় হয়। কিছু দিনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ও’ঠে। প্রেমের ছয় মাসের মা’থায় রাসেলের সৌদিতে চাকরির ভিসা চলে আসে। বিদেশ যাওয়ার আগে মন্টি বিয়ে করার বায়না ধ’রে।

উপায় না দেখে রাসেল নরসিংদীর কো’র্টে গিয়ে মন্টিকে বিয়ে করেন। দেড় মাস পরে রাসেল তার পরিবারের কাছে বিয়ের বিষয়টি জানায়। সাত মাস পরে রাসেল দেশে এসে মন্টিকে বাড়িতে তুলে আনে। ছুটি শে’ষে রাসেল আবার সৌদি চলে যান।এর মধ্যে মন্টি অ’ন্তঃস’ত্ত্বার অ’জুহাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে সোনাদানা নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যায় এবং পেটের

বাচ্চা ন’ষ্ট করে ফেলে। এরপর থেকে তার পরিবার বিভিন্ন ছলনার আশ্রয় নিয়ে টাকা-পয়সা হা’তিয়ে নিতে থাকে। রাসেল এর মধ্যে কয়েকবার বিদেশ থেকে দেশে আসা-যাওয়া করে।গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে দেশে আসার পর মন্টির পরকীয়ার প্র’মাণ পায় রাসেল। অবস্থা বেগতিক দেখে মন্টি তখনই

নরসিংদী সদর থা’নায় অ’পহরণ ও ধ’র্ষণের দা’য়ে রাসেল ও তার বাবা-মাসহ পরিবারের ছয়জনের বি’রুদ্ধে মি’থ্যা মা’মলা দা’য়ের করেন।
ওই মা’মলায় রাসেল ১৩ দিন কা’রাভো’গের পরে জা’মিনে মু’ক্তি পান। তবুও স্ত্রীকে ছেড়ে না দিয়ে মীমাং’সা পাওয়ার আশায় গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর নরসিংদীতে শ্বশুরবাড়িতে আসার সময় তাদের লোকজন দ্বারা অ’পহৃত হন।

রাসেল আরও জানান, অ’পহ’রণের পর তার ওপর অ’মানু’ষিক নি’র্যাতনের কথা মনে হলে এখনও আঁ’তকে ওঠেন। ওরা টাকার জন্য তার পুরুষা’ঙ্গের ৬০ শতাংশ ম্যাচ লাইটার দিয়ে পু’ড়িয়ে দেয়। প্রায় দুই মাস চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ হলেও এখনও অনেক য’ন্ত্রণা হয়।

তিনি অ’ভিযুক্তদের গ্রে’ফতার করায় র‌্যাবকে ধন্যবাদ জানান এবং প্র’তারক চ’ক্রের দৃ’ষ্টান্তমূলক শা’স্তি দা’বি করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *