জনমানবশূন্য রাতের ঢাকায় রাস্তার রাজা পথশি’শুরা

জনমানবশূন্য সুনসান নীরব রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট একটি শি’শু। বয়স বছর পাঁচেক হবে। হাফ প্যান্টের উপরে একটি গেঞ্জি বেঁধে খালি গায়ে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল সে। শি’শুটির একহাতে কোমল পানীয়ের একটি খালি প্লাস্টিকের বোতল। আরেক হাতে সাইকেলের টায়ার। ফাঁকা রাস্তায় টায়ার ঠেলে দিয়ে হাতে থাকা প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে ধাক্কা মে’রে দৌড়াদৌড়ি করে আপন মনে খেলছিল শি’শুটি।

জনমানবশূন্য সুনসান নীরব রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট একটি শি’শু। বয়স বছর পাঁচেক হবে। হাফ প্যান্টের উপরে একটি গেঞ্জি বেঁধে খালি গায়ে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল সে। শি’শুটির একহাতে কোমল পানীয়ের একটি খালি প্লাস্টিকের বোতল। আরেক হাতে সাইকেলের টায়ার। ফাঁকা রাস্তায় টায়ার ঠেলে দিয়ে হাতে থাকা প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে ধাক্কা মে’রে দৌড়াদৌড়ি করে আপন মনে খেলছিল শি’শুটি।

আর সেখানে ছোট্ট শি’শুটির মতো অসংখ্য পথশি’শু রোদে পু’ড়ে বৃষ্টিতে ভিজে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। করো’নার ভয়ই নেই ওদের মনে। হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় ওদের পড়াশোনা করার সুযোগ হয় না। তারা দিনের বেলায় কাগজ কুড়িয়ে বিক্রি করার ব্যাপারে বাবা মা কে সাহায্য করে। দিনের বেলা ওদের খেলার ফুসরত মেলে না।

তাই রাতের বেলা কখনো টায়ার ঘুরিয়ে সাইকেল চালানো কিংবা কাগজ গোল করে বেঁধে বল বানিয়ে কখনো ফুটবল খেলে আবার কখনো কাঠের টুকরা দিয়ে ব্যাগ বানিয়ে ক্রিকেট খেলে। বর্তমানে করো’না সংক্রমণের কারণে রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকায় ওরা ভীষণ খুশি।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে নিউ মা’র্কে’টের সামনে খেলায় ব্যস্ত শি’শুটি জানায়, রাস্তাঘাটে যানবাহন ও মানুষ কম থাকায় ওরা প্রতিদিনই রাতের বেলায় ফুটবল ক্রিকেট ও ছোঁয়াছুঁয়ি ইত্যাদি খেলা খেলতে পারে। এ কারণে সে ও তার বন্ধুরা ভীষণ খুশি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *