চলুন জেনে নেই শান্ত, সদা হাস্যময় সুশান্তের জীবনের ক’রুণ গল্প

জুন মাসের ১৪ তারিখে সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput) আমাদের ছে’ড়ে অনেক দূরে চলে গেছেন। কিন্তু তার শান্ত স্বভাবের জন্য আমাদের পক্ষে তাকে ভুলে যাওয়া অসম্ভব।

তিনি অনেকগুলো ছবিতে নজরকাড়া অভিনয়ের মাধ্যমে প্রত্যেকের মন জয় করেছিলেন।তার এই ক’রুণ পরিণতির জন্য আমাদের প্রত্যেকেরই মন কেঁ’দে উঠছে। চলুন সংক্ষেপে জেনে নেই তার জীবনের উ’ত্থান পত’নের কাহিনী (Sa’d Life Story of Sushant Singh Rajput)।

জন্ম
১৯৮৬ সালের জানুয়ারি মাসের ২১ তারিখে ভা’রতের বিহার রাজ্যের রাজধানী পাটনা তে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পূর্ণিয়া জেলার মালদিহা গ্রামে জন্ম নেন। তার বাবা ও মায়ের নাম যথাক্রমে কৃ’ষ্ণ কুমার সিংহ এবং উষা সিং। ২০০২ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি তার মাকে হা’রান। ফলে তিনি খুব বিষ’ন্ন হয়ে পড়েন। এরপর তার পুরো পরিবার পাটনা থেকে দিল্লিতে চলে আসে।

স্কুল জীবন
তিনি বিহারের সেন্ট কারেন্ট উচ্চ বিদ্যালয় এবং নিউ দিল্লির কুলাচি হাঁসরাজ মডেল স্কুল থেকে তার স্কুল জীবন সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ডিসিই (DCE) ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় সপ্তম স্থান অধিকার করেন।

এরপর দিল্লি কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এ মেকা’নিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় নিয়ে বিটেক কোর্সে ভর্তি হন। এছাড়াও তিনি পদার্থবিদ্যায় জাতীয় অলিম্পিয়াড পদক লাভ করেন। অধিকন্তু তিনি ১১ টি ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ট্রান্স পরীক্ষাতে বসেন এবং সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হন।

অভিনয় সূত্রপাত
পরবর্তীকালে তিনি অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গঠন করার কথা চিন্তা ভাবনা করেন। তিনি তার এক বন্ধুর দেখে নাচের ক্লাসে যোগদান করার উৎসাহ পান।

এরপর তিনি নৃত্য এবং অভিনয়ের ক্লাসে যোগদান করেন।তিনি শ্যামক দাবরের নৃত্যের ক্লাসে যোগ দেন। ফলে পড়াশোনার জন্য সময় কমে যায়। ফলে তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং এ অনেকগুলো পরীক্ষায় ফেল করে বসেন। ফলে তাকে ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে দিতে হয়।

অভিনয়
২০০৮ সালে সর্বপ্রথম বা’লাজি টেলিফিল্ম কিস দেশ মে হে মেরা দিল সিরিয়ালে প্রীত জুনেজার চরিত্রে এক্টিং শুরু করেন। কিন্তু তিনি ২০০৯ নয় সালে পবিত্র রিস্তা ধারাবাহিকে মানবের চরিত্রে এক্টিং শুরু করেন যা তাকে খ্যাতি এনে দেয়। আর সেই সময় তিনি তার জীবনের সঙ্গী খুঁজে পান।

সিনেমাতে অভিনয়
২০১৩ সালের শুরুর দিকে ডিরেক্টর অভিষেক কাপুরের কই পো চে সিনেমাতে সুশান্ত ডেবিউ করেন। এই ছবিটা সমা’লোচকগণ প্রচুর প্রশংসা করেন এবং বক্সঅফিসেও লক্ষী এনে দেয়। পরবর্তীকালে মণীশ শর্মার শু’দ্ধ দেশি রোমান্স’ ছবিতে পরিণীতি ও বাণীর সঙ্গে অভিনয় করেন।

এই ছবিটিও বক্স অফিসে হিট হয়। তাছাড়াও দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিটেকটিভ ব্যোমকেশ বক্সী সিনেমাতে বাংলার অন্যতম বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র ব্যোমকেশ বক্সীর ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায়।

রিলেশনশিপ
সুশান্ত সিং রাজপুত তার সহ-অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখান্ডে সঙ্গে ছয় বছর ব্যাপী স’ম্পর্কে ছিলেন। ২০১৬ সালে তাদের ব্রেকআপ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.