কিডনির নোংরা পরিষ্কার করার ঘরোয়া টোটকা, মাত্র ১০ টাকা খরচ করে নিজেই বানান ওষুধ

সারাদিন তো আমরাও ঘর দুয়ার অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করি ভালো পরিষ্কার জলে মুখ ধুই স্নান করি। আমরা আমাদের শরীরের ওপর তাকে ধুলো-ময়লা থেকে দূরে রাখতে চাই কিন্তু কখনো শরীরের ভেতরে কি হচ্ছে খোঁজ রাখি না।

হ্যাঁ আমাদের পরিবেশে দিনে দিনে যেভাবে পলিউশন বেড়ে উঠেছে সেই সমস্ত নোংরা জীবাণু আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে কিডনিতে জমা হয়। সেই সমস্ত ধুলো নোংরা জমতে জমতে একসময় কিডনির অসুখ হয়।

এই ধরনের কিডনির অসুখ থেকে দূরে থাকতে গেলে কিডনিকে প্রতিদিন পরিষ্কার করা প্রয়োজন। আমাদের শরীরে কিডনির ছাঁকনির কাজ করে। লবণ, অবাঞ্ছিত কোন পদার্থকে শরীরের মধ্যে প্রবেশ করতে বাধা দেয় কিডনি।

তাই কিডনি খারাপ হয়ে গেলে সমস্ত বজ্র পদার্থ রক্তের সঙ্গে মিশে গিয়ে শরীরকে অসুস্থ করে তোলে। তখনই প্রয়োজন হয় ডায়ালিসিসের। খুব বড় ধরনের ডায়রিয়া, জল কম খাওয়া, অনিয়ন্ত্রিত সুগার, উচ্চ রক্তচাপ, ব্যথা কমার ওষুধ বেশি সেবা সেবা প্রভৃতি কারণে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তাহলে আর দেরি না করে ঘরোয়া টোটকা মাধ্যমে পিকনিকে পরিষ্কার করে ফেলুন। একাকী ধনেপাতা কুচি কুচি করে কাটো তারপর সেটিকে পরিষ্কার জলে ডুবে 10 মিনিট গরম জল ফোটান।

10 মিনিট পরে যখন দেখবেন একটি সেদ্ধ হয়ে গেছে তখন পরিষ্কার জলে এটিকে ছেঁকে ফেলুন একটা বোতলে করে আপনি ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। তারপর প্রতিদিন একই সেবন করুন।

ধনে পাতার জুস খেলে আপনি দেখতে পাবেন আপনার কিডনিতে জমে থাকা বজ্র পদার্থ গুলি প্রসাবের মাধ্যমে বাইরে বেরিয়ে যাবে। কিডনি পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি ধনেপাতা উচ্চ রক্তচাপ কমায় সুগারের পক্ষেও ভালো, হজমশক্তি বাড়ায়, একজিমা সারতে সাহায্য করে প্রভৃতি।

একআঁটি ধনেপাতার মধ্যে রয়েছে ৪%প্রোটিন, ১% কার্বোহাইড্রেট, ১% ফ্যাট, ১% , ১% ক্যালরি, ২১% ম্যাঙ্গানিজ, ১৫% পটাশিয়াম, ১১% কপার, ১০% আয়রন, ক্যালসিয়াম ৭%। ৩৮৮% ভিটামিন কে, ৪৫% ভিটামিন সি, ১৩৫% ভিটামিন এ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *