আরব আমিরাতে বসে বাংলাদেশের স্মৃতি স্মরণ করলেন ওয়ার্নার

সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ আর কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মধ্যে খেলা হওয়া ম্যাচে হায়দ্রাবাদের দল প্রথমে ব্যাট করে ২০২ রানের লক্ষ্য দেয়। জবাবে পাঞ্জাবের দল ১৩২ রানই করতে পারে আর এসআরএইচ ৬৯ রানে জয় হাসিল করে টুর্নামেন্টে

নিজেদের তৃতীয় জয় তুলে নেয়।সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ আর কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মধ্যে একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ খেলা হয়েছে। এই ম্যাচে হায়দ্রাবাদের দল টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় আর বোর্ডে ২০১ রান তোলে। এই চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নামা পাঞ্জাবের দল শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায়।

কিন্তু নিকোলস পুরাণ ৭৭ রানের ইনিংস খেলেন। কিন্তু পুরাণকে অন্য প্রান্ত থেকে কেউ সাহায্য করেননি আর কিংস

ইলেভেন পাঞ্জাব ১৩২ রানেই অলআউট হয়ে যায়। পরিণাম স্বরূপ হায়দ্রাবাদের দল ৬৯ রানের বড়ো জয় হাসিল করে টুর্নামেন্টের তৃতীয় ম্যাচ জিতে নেয়। ম্যাচ শেষে ওয়ার্নার স্মরণ করেন পুরানের সঙ্গে তার বিপিএল খেলার অভিজ্ঞতা। বিপিএলের ওই আসরে প্রায় ১৬০ স্ট্রাইক রেটে পুরান করেছিলেন ৩৭৯ রান।

ওয়ার্নার বলেন, ‘উপভোগ্য ম্যাচ ছিল। তবে চার ওভারের মতো বাকি থাকতে খানিকটা নার্ভাস হয়ে গিয়েছিলাম, যখনপুরান বল মাঠের বাইরে আছড়ে ফেলছিল। বাংলাদেশে আমি তার সঙ্গে খেলেছি। সে যখন এভাবে ক্লিন হিট করা শুরু

করে, তখন কঠিনভাবেই ভাবতে হয়। রশিদ অবশ্যই দুর্দান্ত বোলার, অনেক সম্মানও পায় সে। বিশ্বমানের বোলার সে, তার মতো একজনকে দলে পাওয়া নিঃসন্দেহে দারুণ ব্যাপার।’

দুবাইয়ের ২২ গজে যখন ক্যারিবীয় তারকা নিকোলাস পুরান তাণ্ডব চালাচ্ছেন, তখন ডেভিড ওয়ার্নারের মনে পড়ে গেল মিরপুর-সিলেটে পুরানের ঝড়। এবারের আইপিএলে তার একে অন্যের প্রতিপক্ষ হলেও ২০১৯ বিপিএলে দুজনেই খেলেছিলেন সিলেট সিক্সার্সে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.